Friday, November 7, 2014

ঘরেই তৈরি করুন রেস্তরাঁর স্বাদের পেরি পেরি রাইস

রেস্তরাঁয় পেরি পেরি রাইস নিশ্চয়ই খেয়েছেন? বলাই বাহুল্য যে নিশ্চয়ই অনেক ভালো লেগেছে। বেশ স্পাইসি এই পেরি পেরি রাইস ভালো না লাগার কোনই কারণ নেই। তাহলে আজ শিখে নিন দারুণ এই খাবারটির রেসিপি। হ্যাঁ, পেরি পেরি রাসি খেতে এখন আর রেস্তরাঁয় ছুটতে হবে না, এখন থেকে ঘরেই তৈরি করতে পারবেন খুব সহজে। আর চমৎকার রেসিপিটি দিয়েছেন আতিয়া হোসেন তনী। দারুণ মজার পেরি পেরি রাইস পরিবেশন করুন পেরি পেরি চিকেনের সাথে।

যেভাবে তৈরি করবেন পেরি পেরি সস-

২-৬ লাল মরিচ(স্বাদ অনুযায়ী)
১ টা বড় লাল ক্যাপসিকাম
১ টা লেবুর রস
১ টেবিল চামচ পাপরিকা পাউডার
২ চা চামচ লবন
১ টেবিল চামচ ওরিগানো
১/২ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো
১/২ কাপ ভেজিটেবল বা অলিভ ওয়েল
৫ কোয়া রসুন
৪ টেবিল চামচ ডার্ক ভিনেগার
১ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়ো
১/৪ চা চামচ লাল বা কমলা ফুড কালার
  • -সব উপকরণ ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। তবে কাজটা একদিন আগে করবেন, এতে ফ্লেভার ডেভেলপ করার সময় পাবে। ফ্রিজে রেখে দেবেন।

পেরি পেরি রাইস এর জন্য লাগবে-

১ কাপ রান্না করা ভাত
১ টা ছোট পেঁয়াজ ডাইস করা
১ সবুজ কাপ্সিকাম ডাইস করা
২ টেবিল চামচ পেরি পেরি সস
১ টেবিল চামুচ টমেটো কেচাপ
২ টেবিল চামুচ সয়া সস
খুব সামান্য রসুন বাটা
২ টেবিল চামচ মাখন
লবণ স্বাদ মতো

প্রণালী

  • -প্যানে বাটার গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভাজতে হবে।
  • -পেঁয়াজ সচ্ছ হয়ে এলে রসুন বাটা আর কাপ্সিকাম দিয়ে ১ মিনিটে ভেজে কেচাপ দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করতে হবে।
  • -এরপর রান্না করা ভাত দিয়ে ভালো মত মিশাতে হবে যাতে সস ভালো মতো লেগে যায়
  • -এরপর সয়া সস ভালো করে মিশিয়ে ১০ মিনিট অল্প আঁচে দমে রাখতে হবে। ব্যস, তৈরি আপনার পেরি পেরি রাইস।
- See more at: http://www.priyo.com/2014/11/06/117226.html#sthash.ox8cTpEj.dpuf

Wednesday, September 24, 2014

‘গোপন ছবি’ সুরক্ষার ১০ কৌশল

আইফোনে ছবি তুলছেন দুই তারকা। অনলাইনে ছবি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকেরা। ছবি রয়টার্সআইফোনে ছবি তুলছেন দুই তারকা। অনলাইনে ছবি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকেরা। ছবি রয়টার্সঅনলাইনে তারকাদের ব্যক্তিগত গোপনীয় ছবি ফাঁসের ঘটনা নিশ্চয়ই শুনেছেন। প্রযুক্তি নিরাপত্তা বিশ্লেষকেদের ধারণা, অ্যাপলের ক্লাউড সার্ভিসে রাখা তারকাদের গোপন ছবি ফাঁস করতে অ্যাপলের নিরাপত্তা দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়েছে সাইবার দুর্বৃত্তরা। তাঁদের ধারণা, অ্যাপলের ‘ফাইন্ড মাই ফোন’ ফিচারটির ত্রুটিকে কাজে লাগিয়েই তারকাদের আইক্লাউড অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। অবশ্য, অ্যাপল এক বিবৃতিতে সিস্টেম হ্যাকের বিষয়টি অস্বীকার করে করেছে। অ্যাপলের দাবি, তারকাদের ফিশিং মেইল পাঠিয়ে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে। ঘটনা যাই হোক না কেনো কয়েকটি কৌশল মেনে চললে তারকারা সহজেই অ্যাকাউন্ট হ্যাকের বিষয়টি এড়াতে পারতেন। অনলাইনে তথ্য চুরির ঘটনা ঠেকাতে ৯ কৌশল মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা।
প্রথম কৌশল: ‘গোপন ছবি’ না তোলা
প্রথম কৌশলটি খুব সাধারণ। স্মার্টফোনের মতো ইন্টারনেট সুবিধার যন্ত্র দিয়ে ‘গোপন’ ছবি না তোলা। যদি ‘গোপন’ ছবি তোলার প্রয়োজন পড়ে এবং তা সংরক্ষণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে ডিজিটাল বা পোলারয়েড ক্যামেরায় তুলে যথেষ্ট সাবধানে ইন্টারনেট সংযোগবিহীন কোনো ডিভাইসে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।
দ্বিতীয় কৌশল: দ্রুত ডিলিট বাটন চাপুন
যদি ফোন ব্যবহার করে ‘গোপন’ ছবি তুলতেই হয় তবে কাজ শেষ হলে দ্রুত তা মুছে ফেলুন। যত বেশি সময় এ ধরনের ছবি ফোনে রাখবেন তত বেশি তা ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি থাকবে। অনলাইন নিরাপত্তা বিষয়ক মার্কিন বিশেষজ্ঞ স্টু সোয়ারম্যানের ভাষ্য, ‘দ্রুত ডিলিট বাটন চেপে দিন এবং দুশ্চিন্তামুক্ত হন। এটা খুব কঠিন কিছু নয়। ফোনের মধ্যে যদি স্পর্শকাতর জিনিস থাকে নেটে যাওয়ার আগেই তা রুখে দেওয়া উচিত।’
তৃতীয় কৌশল: পাসওয়ার্ডঅ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত
তৃতীয় কৌশলটি সম্ভবত সবারই জানা। এটি হচ্ছে মোবাইলে পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখা। ফোন চুরি বা হারিয়ে গেলে গোপন ছবিগুলো অন্তত গোপন থাকবে বলেই আশা করা যায়। আপনার ফোনটি যদি অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ হয় তবে ফোনের পাসওয়ার্ড সেট করতে সেটিংস অ্যাপ্লিকেশনে যান এবং সিকিউরিটিতে চাপ দিন। সেখান থেকে স্ক্রিন লক বা আপনার পছন্দের পদ্ধতিটি বেছে নিন। সেখানে পাসওয়ার্ড, পিন, সোয়াপ, ফেসিয়াল রিকগনিশন বা অন্য কোনো অপশন থাকলে তা বেছে নিন। অ্যাপলের আইওএসের ক্ষেত্রে সেটিংস থেকে টাচ আইডি অ্যান্ড পাসকোডে যান এবং পাসকোড চালু করুন। এরপর জটিল কোনো পাসওয়ার্ড দিন।

চতুর্থ কৌশল: ক্লাউড নয়
সব ধরনের ছবি সংরক্ষণ করতে ক্লাউড ব্যবহার না করাই ভালো। অ্যান্ড্রয়েড ও অ্যাপলের হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার তথ্য ক্লাউড বা ডেস্কটপে ব্যাকআপ রাখতে পারে। স্পর্শকাতর তথ্য সুরক্ষায় তাই আপনাকে এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় বিষয়গুলো সেটিংস থেকে ম্যানুয়ালি পরিবর্তন করে দেওয়া লাগবে। আইক্লাউড বন্ধ করার ক্ষেত্রে অ্যাপলের অফিশিয়াল গাইডলাইন এক্ষেত্রে আপনার কাজে লাগবে। গুগল হেল্প থেকেও ক্লাউডে তথ্য রাখার নিরাপত্তা বিষয়ক পরামর্শ পেতে পারেন।

পঞ্চম কৌশল: লগ ইনে জটিল পাসওয়ার্ড
পঞ্চম কৌশলটিকে সবচেয়ে কার্যকর কিন্তু সবচেয়ে বিরক্তিকর কৌশল বলছেন প্রযুক্তি নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা। এই কৌশলটি হচ্ছে অ্যাকাউন্টের লগ-ইন পাসওয়ার্ড হিসেবে জটিল পাসওয়ার্ডের ব্যবহার। যে অ্যাকাউন্টে স্পর্শকাতর তথ্য থাকবে সেই অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড যথেষ্টই জটিল করতে হবে। সহজে অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড এড়াতে হবে। এক্ষেত্রে ছয় বা সাত অক্ষরের বাক্যাংশ যা সহজেই মনে থাকে কিন্তু অনুমান করা কঠিন হয় তা পাসওয়ার্ড হিসেবে বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞ স্টু সোয়ারম্যান। পাসওয়ার্ড জটিল হলে হ্যাকাররা তা সহজে ভাঙতে না পেরে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার আশা ছেড়ে দেয় এবং সহজ পাসওয়ার্ডযুক্ত অ্যাকাউন্টগুলো হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। মেইল অ্যাড্রেস তৈরির সময় সহজে যাতে অ্যাকাউন্ট মালিক শনাক্ত করা বা ইউজারনেম শনাক্ত করা না যায় সে বিষয়টিও খেয়াল করতে হবে। লাস্ট পাস বা মাস্ক মির মতো ক্লাউড ভিত্তিক পাসওয়ার্ড ম্যানেজার এক্ষেত্রে কাজে লাগানো যায়।
ষষ্ঠ কৌশল: দ্বিস্তর শনাক্তকরণ
অনলাইনে আপনি যে যে সার্ভিস ব্যবহার করেন তাতে যদি দ্বিস্তর যুক্ত শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া ব্যবহারের সুযোগ থাকে তা কাজে লাগাবেন। ম্যাকাফির অনলাইন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রবার্ট সিসিলিয়ানোর পরামর্শ হচ্ছে এটা। তাঁর মতে, দুই স্তরের এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় ব্যবহারকারীকে তাঁর অ্যাকাউন্টে নিয়মিত পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পাশাপাশি লগ ইন করার সময় স্মার্টফোন ও ট্যাবে অ্যাপলের পাঠানো আরও একটি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়। এতে অতিরিক্ত একটি স্তরের নিরাপত্তা পাওয়া যায়। তাই যতক্ষণ হাতে মোবাইল থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত আর কেউ অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারছে না সেই বিষয়টি নিশ্চিত হয়। তবে এক্ষেত্রে কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্রে পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ না করাই ভালো। অ্যাপল, গুগল, ফেসবুক, ড্রপবক্সের মতো অনেক সার্ভিসের ক্ষেত্রে দুই স্তরের এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া রয়েছে। দু স্তরের নিরাপত্তা সেটিংসের বিষয়টি অনেক সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয় না। গুগল অ্যাকাউন্টে দ্বিস্তরের নিরাপত্তা যুক্ত করার জন্য গুগল এই লিংকে পরামর্শ দিয়েছে।
(https://www.google.com/landing/2step/) অ্যাপলের পরামর্শ পাবেন এই লিংকে (http://support.apple.com/kb/ht5570)
সপ্তম কৌশল: অবস্থা বুঝে স্পর্শকাতর তথ্য না রাখা
আপনার প্রিয় সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আপনাকে দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দিতে অনাগ্রহী? তাহলে সেখানে স্পর্শকাতর তথ্য রাখবেন না। যে যন্ত্রে আপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশি শক্তিশালী সেটাই বেছে নেবেন। ম্যাকাফির বিশ্লেষক সিসিলিয়ানোর ভাষ্য, ‘আমার ব্যাংক যদি আমাকে দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা না দেয় তবে আমি আমার অর্থ বিছানার নীচে রাখাকেই বেশি নিরাপদ বোধ করব।’
অষ্টম কৌশল: সচেতনতা
আপনার গোপন ছবি যদি কারও সঙ্গে বিনিময় করতে চান সেক্ষেত্রেও আপনাকে সচেতন হতে হবে। এমন সার্ভিস বেছে নিতে হবে যে সার্ভিসগুলো আপনার পাঠানো ছবি সংরক্ষণ করে না। এক্ষেত্রে উইকার, সাইবারডাস্ট কিংবা স্ন্যাপচ্যাট ভালো সার্ভিস। এ সার্ভিসগুলো দাবি করে যে, তারা ফোনের ফটো গ্যালারির কোনো ছবি সংরক্ষণ করে না বরং নির্দিষ্ট সময় পর তা মুছে দেয়। তবে দাবি ঠিক কিনা তা নিশ্চিত হয়েই গোপন ছবি পাঠানোর চিন্তা করতে পারেন।
নবম কৌশল: ফিশিং এড়িয়ে চলুন
ফিশিংয়ের কবলে পড়বেন না। সাইবার দুর্বৃত্তরা আপনাকে প্রতারণার জালে আটকাতে না প্রলোভন বা ছদ্মবেশ ধরতে পারে। মানুষের দুর্বলতা হচ্ছে তাঁরা সহজেই হ্যাকারদের হাতে পাসওয়ার্ড তুলে দেন। ফিশিং হচ্ছে খুব সাধারণ সাইবার প্রতারণা। ফিশিং বলতে প্রতারণার মাধ্যমে কারও কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে বোঝানো হয়। দুর্বৃত্তরা এই পদ্ধতিতে কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট সেজে মানুষের কাছ থেকে তথ্য চুরি করে থাকে। ইমেইল ও ইন্সট্যান্ট মেসেজের মাধ্যমে সাধারণত ফিশিং করা হয়ে থাকে। দুর্বৃত্তরা তাদের শিকারকে কোনোভাবে ধোঁকা দিয়ে তাদের ওয়েবসাইটে নিয়ে যায়। এরপর ধোঁকা দিয়ে ব্যবহারকারীর ইমেইল, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডের আসল ওয়েবসাইটের চেহারা নকল করে থাকে। ব্যবহারকারীরা সেটাকে আসল সাইট ভেবে নিজের তথ্য প্রদান করলে সেই তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে দুর্বৃত্তরা।
বিশেষজ্ঞ সোয়ারম্যানের পরামর্শ হচ্ছে, ‘মেইলের ইনবক্সে আসা প্রতিটি মেইলের দিকে অন্তত দুই সেকেন্ড তাকান এবং নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, এটা স্প্যাম নয়তো?’
সোয়ারম্যান বলেন, ‘যদি ইমেইলে এমন কোনো অ্যাটাচমেন্ট পান যা আপনি না চাইতেই চলে এসেছে বা আপনার কোনো প্রয়োজন নয় তবে তা ক্লিক করা থেকে বিরত থাকবেন। সূত্র নিশ্চিত না হয়ে অজানা কারও মেইলের অ্যাটাচমেন্টে ক্লিক করবেন না। আপনি পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করার অনুরোধ না করলেও যদি পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের জন্য অনুরোধ পান তবে তা করবেন না। এ ধরনের স্প্যাম মেইল ক্লিক করবেন না। কোনো মেইল স্প্যাম বলে সন্দেহ হলে তা স্প্যাম বলে নির্বাচিত করে দিন।
বাড়তি এক কৌশল: বুঝেশুনে ক্লিক
অনলাইনে তারকাদের নগ্ন ছবি ফাঁসের ঘটনায় বেশ কিছু স্ক্যাম ছড়িয়েছে। যদি কোনো মেইলে দাবি করা হয়, ‘এই লিংকে তারকাদের নগ্ন ছবি রয়েছে’ তবে তা ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। অনলাইনে তারকাদের নগ্ন ছবি খোঁজার লিংকগুলো আপনাকে ম্যালওয়্যার ঝুঁকিতে ফেলে দেবে।

Tuesday, September 23, 2014

জেনে নিন কিছু অসাধারন তথ্য********

*কোকাকোলা প্রথমে ছিল সবুজ।
* সকল মহাদেশের নাম যে অক্ষর দিয়ে শুরু হয় সেই অক্ষর দিয়ে শেষ হয়।
* USA-র সব লোকের কমপক্ষে ২টি করে Credit Card আছে।
* মহিলারা পুরুষদের তুলনায় একদিনে প্রায় দ্বিগুণ চোখের পাতা ফেলে।
* কেঊ নিজের শ্বাস রোধ করে নিজেকে হত্যা করতে পারে না।
* যখন কেউ হাঁচি দেয় তখন অন্যরা তাকে বেঁচে থাকো বলে আশীর্বাদ করে। কারণ যখন কেউ হাঁচি দেয় তখন তার হার্...ট এক মিলি সেকেন্ডের জন্য থেমে যায়।
* এক বক্স তাসের ৪টি রাজা ইতিহাসের ৪জন বিখ্যাত রাজার প্রতীক। তারা হলেনঃ রাজা দাউদ, আলেকজান্ডার, জুলিয়াস সিজার এবং শার্লিম্যান।
* কুমির তার জিহ্বা বের করতে বা উঁচিয়ে ধরতে পারে না।
* শামুক একটানা তিন বছর ঘুমাতে পারে।
* প্রজাপতি তাদের পা দিয়ে স্বাদ গ্রহন করে।
* হাতি একমাত্র প্রানী যারা লাফাতে পারে না।
* গত ৪০০০ বছরে নতুন কোন প্রাণী গৃহপালিত করা হয়নি।
* এক ঘন্টার জন্য হেডফোন লাগালে কানে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ ৭০০ গুন বৃ্দ্ধি পায়।
* হাতের ছাপের মত সকলের জিহ্বার ছাপও ভিন্ন।

Friday, September 19, 2014

We are built imagination

This is a design & construction company . We estimate what amount of material & price of this material need to complete a structure . We also make plan about a project & design of a project . We have  experienced architectural engineer , civil engineer ,electrical engineer . If you are interested please contact our number .Please Visit http://amra20constructionltd.blogspot.com

Monday, June 2, 2014

মজার মজার সব তথ্য

(১) এডিসন (Thomas Edison) ছিলেন লাইট বাল্বের আবিস্কারক। তিনি অন্ধকার ভয় পেতেন।

(২) পেঙ্গুইন একমাত্র পাখি যে সাঁতার কাটতে পারে কিন্তু উড়তে পারেনা।

(৩) মশার দাঁত আছে।

(৪) দানব স্কুইডের (giant squid) চোখ সবচেয়ে বড়

আপনি জানেন কিঃ

কুরআনে আল্লাহ্ (الله) শব্দটি কতবার আছে?
- ২৫৮৪ বার ।
(সুবহানাল্লাহ
)

জেনে নিনঃ

(১) ডলফিন এক চোখ খোলা রেখে ঘুমায়।

(২) বিড়াল ১০০ এর বেশি ভিন্ন রকম শব্দ করতে পারে, যেখানে কুকুর পারে প্রায় ১০ রকম শব্দ করতে।

(৩) ৯ বছর বয়সে আইনস্টাইন অনরগল/সাবলীল ভাবে কথা বলতে পারতেন না, তখন তার বাবা মা তাকে প্রতিবন্ধী ভেবেছিলেন।



রসায়নের কিছু মজার তথ্য

রসায়ন মানেই অনেক মজা । চলুন দেখি আজকের মজাগুলো কি !!!

১.আপনি যদি এক গ্লাস পানিতে এক মুঠো লবন দেন তাহলে তো গ্লাসের পানি পরে যাবে ,তাই না ? দিয়ে দেখুন তো পরে কি না । কি অবাক হচ্চেন , পানির উচ্চতা আরও কমে গেল , তাই না ?

২.আপনার শরীরে যে পরিমান কার্বন আছে তা দিয়ে ৯০০০ পেন্সিল বানানো যাবে !!!

৩. সোনা অনেক দুর্লভ। দাম তো আকাশচুম্বী। কিন্তু আপনি কি জানেন পৃথিবীতে যে পরিমান সোনা আছে তা দিয়ে সম্পূর্ণ পৃথিবী ঢেকে দিলে হাঁটু পরিমান উচ্চতা হবে।

৪. অক্সিজেন গ্যাস এর কোন বর্ণ নাই, কিন্তু তরল ও কঠিন অক্সিজেন নীল বর্ণের।

৫. হাইড্রফ্লুরিক এসিড এতবেশি ক্ষয়কারী যে গ্লাস গলিয়ে (dissolve ) ফেলে, কিন্তু তারপরেও এটাকে দুর্বল এসিড বলা হয় ।

৬. পৃথিবীর সবচে দুর্লভ মৌল এস্তেতিন, সারা পৃথিবীতে মাত্র ২৮ গ্রাম এস্তেতিন আছে।

৭. বায়ুমণ্ডলের প্রায় ২০ % অক্সিজেন শুধুমাত্র আমাজন রেইন ফরেস্টের মাধ্যমেই উৎপন্ন হয় ।

৮. সাধারন তাপমাত্রায় ব্রোমিন ও পারদ এ দুটো মৌল ই তরল ।

৯. আমরা জানি পানির রাসায়নিক নাম (H2O ) এইচ টু ও , কিন্তু ইউপ্যাক (IUPAC) অনুযায়ী পানির রাসায়নিক নাম ডাইহাইড্রজেন মনোঅক্সাইড।

১০. মহাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় হাইড্রোজেন কিন্তু পৃথিবীতে সবচে বেশি পাওয়া যায় অক্সিজেন (প্রায় ৪৯ % বায়ুমণ্ডল+ ভুমি+সাগর)

১১. বজ্রপাতে প্রতিবছর অনেক লোক মারা যায়, কিন্তু আপনি কি জানেন বজ্রপাত না থাকলে পৃথিবীর প্রাণীকুল ধ্বংস হয়ে যেত।কারন বজ্রপাতের মাধ্যেমেই ওজোন তৈরি হয় ।


জেনে নিনঃ

আমাদের মস্তিষ্ক এর কতো ক্ষমতা? চলুন তাহলে আজকে সেটা জেনে নিই। আমরা সবাই জানি মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা অনেক বেশি কিন্তু পরিমান কত তা আমরা অনেকেই জানি না। আমাদের মস্তিষ্কটা তিন পাউন্ডের একটি জিনিস যার ক্ষমতা শুনলে মানুষ বিশ্বাসই করতে চাইবে না ,

ডক্টর ওয়াল্টারের মতে যদি মানুষের মস্তিষ্কের সমমানের একটি বৈদ্যুতিক ব্রেইন তৈরী করা যায় তাহলে তার খরচের টাকা গুনলে ১৫০০,০০০০০০০,০০০০০০০ (১৬ টি শূন্য) টাকা পরবে সেই পরিমান টাকা দিয়ে বর্তমান সময়ে প্রায় অত্যাধুনিক দশ কোটি কম্পিউটার কেনা সম্ভব আর এই যান্ত্রিক মস্তিষ্কের আয়তন হবে আটারটি এক’শ তলা বিল্ডিং এর সমান আর এটা চালাতে এক হাজার কোটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ এর প্রয়োজন হবে তাহলে দেখুন তার কত ক্ষমতা।

এবার দেখুন তার ব্যবহার.আমরা আমাদের মস্তিষ্ককে ভালভাবে ব্যবহার করি না, বা বলতে গেলে করতে পারি না, বললে বিশ্বাস হবে কিনা জানি না মানুষে মস্তিষ্ক সেকেন্ডে ১০-১৫ টি শব্দ ধারণ করতে পারে বিজ্ঞানীরা বলে মানুষের মস্তিষ্কে ২২ লক্ষ সেল আছে সাধারণ মানুষ তার থেকে মাত্র ৩% সেল ব্যবহার করে বাকী গুলো বেকার হয়ে পড়ে থাকে আর বিজ্ঞানী বুদ্ধিজীবি শ্রেণীর মানুষ ব্যবহার করে ১০ থেকে ১১% !!


কান্নাকাটি করতে পেশি ব্যবহৃত হয় ৪৯টা...
হাসতে লাগে ১২টা আর...
থাবড়াইতে লাগে ৬টা...

সুতরাং কেউ আপনারে আঘাত দিলে......
কান্না কাটি না কইরা...

ঘুরাইয়া থাবড়া মারেন...
শক্তিবাচান..
.

১) সিগারেট ৪৮০০ প্রকার রাসায়নিক বস্তু বহন করে যার মধ্যে ৬৯ টি ক্যন্সার সৃষ্টি করে।

২) আপনার দিনে গড়ে ৪০ থেকে ১০০টি চুল ঝরে যায়।

৩) মস্তিস্ক অক্সিজেন ছাড়া ৪ থেকে ৬ মিনিট জীবিত থাকে। এরপর কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে।
৪) ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ঘ্রাণ শক্তি বেশি।

৫) Icecream চাইনিজ খাবার।

৬) ভেনাস গ্রহ ঘড়ির কাটার দিকে ঘুড়ে বাকি সব গ্রহ ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুড়ে।


তোমার মাথায় কয়টা চুল আছে বলো তো? থাক, মাথা চুলকিয়ো না, কিছু চুল আবার পড়ে যেতে পারে।

তোমার মাথায় চুল আছে এক থেকে দেড় লক্ষ!


**আপনি কি জানেন ??**--হলুদ রং

কিছুদিন আগে পর্যন্ত তৈল হলুদ রং কি দিয়ে তৈরি হতো জানেন ??? গরুর মুত্র বা চ্যেনা দিয়ে ।

যারা ওয়েল পেইন্ট বা তৈল চিত্র আঁকেন তারা ভাবুন তো একটু । রোজ রোজ কাগজের ক্যানভাসে গরুর মুত্র দিয়ে কি সুন্দর ছবি আঁকতেন ।


1. মিয়ামিতে (ফ্লোরিডা) যেকোনো পশুর ডাক নকল করা আইনত দণ্ডনীয়!!

2. ভিক্টোরিয়াতে(অস্ট্রেলিয়া) লাইট বাল্ব বদলানোর জন্য অবশ্যই একজন সার্টিফিকেটধারী মেকানিক লাগবে!! আপনি নিজে এই কাজ করতে পারবেন না, যদি না আপনার ইলেক্ট্রনিক্সের উপর সার্টিফিকেট না থাকে!!


‎১) সদ্য জন্ম নেয়া শিশু কাঁদলে চোখে পানি দেখা যায়না। এর কারণ জন্মের পর শিশুর ৬ থেকে ৭ সপ্তাহ বয়স হলেই কেবল চোখের পানি সৃষ্টি হয়।

২) শিশুর জন্মের সময় চোখের আকার যেমন ছিল বড় হবার পর চোখের আকার ঠিক তেমনি থাকে। কিন্তু নাক আর কান সবসময় বৃদ্ধি পায়।একদম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বাড়তে থাকে নাক আর কানের আকার ।


রাতে না ঘুমালে তো তোমাদের ভালোই লাগে না! অনেকে আবার রাতে একদমই ঘুমাও না। আর দিনের বেলা স্কুলে গিয়ে ঢুলতে থাকো। কিন্তু মজার ব্যাপার কি জানো? বিজ্ঞানীরা আঁক কষে বের করেছেন, আমরা আমাদের জীবনের তিন ভাগের এক ভাগ সময়ই কাটাই ঘুমিয়ে!

1)মানুষ 90%স্বপ্ন ভুলে যায় ।

2)একটি জলপাই গাছ প্রায় 1500 বছর বেঁচে থাকতে পারে।

3)তেলাপোকা মাথা ছাড়া প্রায় 9 দিন বাঁচতে পারে।
...

4)'Go' হল ইংরেজী ভাষার সবচেয়ে ছোট পূর্ণ সংখ্যা ।


1. ১৮১৭ সালে Baron von Drais প্রথম বাই সাইকেল তৈরি করেন যেটার কিনা চালানোর জন্য কোনও প্যাডেল ছিল না। মানুষ নিজে হেটে এটি চালাতও !
2. চা আবিষ্কার হয় চীনে, আজ থেকে প্রায় ৩ হাজার বছর আগে। ফুটন্ত পানিতে ভুলে কিছু চা পাতা পড়ে গিয়ে এই পানীয় তৈরি হয়ে যায়। নিউ ইয়র্কে ১৯০৯ সালে টমাস স্যুলিভান প্রথম টি-ব্যাগের প্রচলন করেন।
3.কম্পিউটারে সাথে ব্যাবহারের জন্য প্রথম মাউস আবিষ্কার করেন Douglas Englebart নামের ভদ্রলোক,১৯৬৪ সালে সেটি বানানো হয়েছিলো কাঠ দিয়ে!

(4) ব্রাজিলে এক প্রজাতির তেলাপোকা আছে যারা বিশেষ করে ছোট ঘুমন্ত বাচ্চাদের চোখের পাপড়ি খেয়ে ফেলে।

(5) কুমিরের ছানা পুরুষ না মেয়ে হবে সেটা ডিম ফোটার তাপমাত্রা(incubation temperature) এর উপর নিভর্র করে। ডিম ফোটার তাপমাত্রা ৩১º-৩২º সেঃ হলে পুরুষ ছানা হবে এবং এর থেকে কম হলে মেয়ে ছানা জন্ম নিবে।

(6) সাপের নাক এবং নাসিকা গহ্বর(nostrils and nasal cavities)থাকা সত্ত্বেও সাপ জিহ্¤বা দিয়ে গন্ধ নেয়।

(7) আমরা সবাই জানিযে মৌমাছি মধু তৈরি করে। কিন্তু জানেন কি প্রায় ২০০০০ হাজার প্রজাতির মৌমাছির মাঝে মাত্র ৪ প্রজাতির মৌমাছি মধু তৈরি করতে পারে। বাকিরা পারে না।


বড়োদের চেয়ে ছোটোদের শরীরে হাড় কিন্তু একটু বেশি-ই থাকে। বড়োদের শরীরে যে ২০৬টা হাড় থাকে, তা তোমরা সবাই জানো।
কিন্তু ছোটোবেলায় আমাদের শরীরে হাড় ক’টা থাকে জানো? ৩০০টা

পুর্ণ বয়স্ক একজন মানুষের দেহে
> যে পরিমাণ চর্বি আছে তা দিয়ে একটা সাবান এবং ৭৬টি মোমবাতি তৈরি করা যাবে।
> যে পরিমাণ ফসফরাস আছে তা দিয়ে কমপক্ষে ৮০০ দিয়াশলাই তৈরি করা যাবে।
> যে পরিমাণ কার্বন আছে তা দিয়ে ৯ হাজার পেন্সিল শীষ তৈরি করা যাবে।
> যে পরিমাণ আয়রন আছে তা দিয়ে বড় ধরনের চারটি পেরেক তৈরি করা যাবে।
> যে পরিমাণ বিদ্যুৎ আছে তা দিয়ে ২৫ পাওয়ারের একটি বাল্ব ৬ মিনিট জ্বলানো যাবে।


পৃথিবীতে কতই না প্রাণী। এতো বড় থেকে শুরু করে চোখে দেখা যায় না এমন প্রাণীও রয়েছে। 
তবে আমাদের পৃথিবীতে ৯৫% প্রাণীই একটা মুরগীর ডিমের চেয়েও ছোট।


(1) রোগ প্রতিরোধকারী শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা ২৫০ কোটি এবং এরা মাত্র ১২ ঘন্টা বাঁচে।

(2) দেহে অক্সিজেন সরবরাহকারী লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ ২৫০০ কোটি এবং এরা ৪ মাস বাঁচে।

(2) একজন মানুষের রক্তের পরিমাণ তার মোট ওজনের ১৩ ভাগের এক ভাগ। অর্থাৎ ৬৫কেজি ওজন মানুষের রক্তের পরিমাণ হল ৫ কেজি।


( 1) অনান্য কীটপতঙ্গের মতো প্রজাপতিদেরও বহু রকমের প্রজাতি আছে । বিজ্ঞানীরা বলেন পৃথিবীতে প্রায় এক লাখ রকমের প্রজাপতি আছে ।

(2) একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন প্রায় ৭০০০০ বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে সক্ষম।

(3) গড়ে একজন মানুষ তার জীবিত কালের মোট ১২বছর টিভি দেখে কাটায়!

(4) প্রতিদিন পৃথিবীতে গড়ে ২০ টা ব্যাংক ডাকাতি হয়।। গড় লোটপাটের পরিমাণ ২৫০০ ইউ, এস ডলার!!

(5) আমাদের টেবিলে যে টেবিলক্লথ দেয়া হয় সেটা আসলে ব্যাবহার করা শুরু হয়েছিলো যাতে মেহমানরা খাবারের পর তাদের হাত এবং মুখ মুছতে পারেন!!


মানুষের হাঁটা নিয়ে মজার কিছু তথ্য-

>একজন মানুষ যদি ঘন্টায় ৫ কিলোমিটার বেগে হাঁটে তাহলে এক বছরে বছরে তার অতিক্রান্ত দূরত্ব দাঁড়াবে ৪০,০০০ কিলোমিটার।
>একজন মানুষ তার স্বাভাবিক আয়ষ্কালে যে পরিমান হাঁটে তাতে সমগ্র পৃথিবীকে সাড়ে তিনবার ঘুরে আসা সম্ভব।
>বামহাতিরা হাঁটার ব্যাপারেও তাদের বামপাকেই আগে চালান।
>মানুষের শরীরের এক-চতুর্থাংশ অস্থি তার হাঁটার সময় ব্যবহৃত হয়ে থাকে
আর ২০০ টি পেশীর চলনে সম্পন্ন হয় আপনার একেকটি হাঁটা।
>৭ থেকে ১২ বয়সীদের মধ্যে এক-চতুর্থাংশই তাদের জীবনে একবার না একবার ঘুমের মধ্যে হেঁটে থাকে।


ক্যানাডা একটি দেশের নাম সেটা কে না জানে। কিন্তু তোমাকে যদি জিজ্ঞেস করি বলো তো ক্যানাডা মানে কি? তাহলে তুমি নিশ্চয় আমাকে পাগল ভাববে তাইনা? মজার ব্যাপার কি জানো? ক্যানাডা একটি ভারতীয় শব্দ। এর মানে হলো বড় গ্রাম। তাহলে! কী দাঁড়াচ্ছে? ক্যানাডা একটি বড় গ্রাম, তাই তো!

* বুদ্ধিমান ব্যাক্তির বেশি তামা এবং দস্তা থাকে তাদের চুলে।

* পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট মা-বাবা হচ্ছে ৮ এবং ৯ বৎসর বয়সের। তারা চীনে থাকত।


* মানুষের একটি চোখ জন্মের থেকে একই থাকে। আরেকটি শুধু বাড়ে। দুটো একসাথে বাড়ে না।


* আপনি ঘুমিয়ে থেকে বেশি কেলরি ক্ষয় করেন বসে বসে টিভি দেখার চেয়ে।


* না খেয়ে মরার চেয়ে না ঘুমিয়ে আপনি আগে আগে মরতে পারেন। আপনি ১০ দিন না ঘুমালে মারা যেতে পারেন।

* পেঁয়াজ কাটার সময় আপনি গাম যদি কামরাতে থাকেন, তাহলে আপনার চোখ থেকে জল আসবে না।

* মোনা লিসার ছবিতে কোনো আইব্রো নেই।

* যখন চাঁদ আপনার ঠিক উপরে, তখন আপনার ওজন একটু কম হবে।

* এলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেল কখনই তার মা অথবা বউকে ফোন করেনি, কারন তারা দুইজন বিধির ছিলো।

* “I Am” ইংরেজীর সবচেয়ে ছোট বাক্য।

* স্প্যানিসে Colgate মানে হচ্ছে “নিজের গলায় দড়ি দাও”


(1) আপনার মস্তিস্কের ৮০ শতাংশই পানি।

(2) মানব দেহের ৯০ শতাংশই অক্সিজেন, কারবন, হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত।

(3) যদি এন্টার্টিকার বরফগুলো গলে যায় তাহলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ৬০ থেকে ৬৫ মিটার বৃদ্ধি পাবে।



Thursday, May 29, 2014

বাংলাদেশী আয়েশা উদ্ভাবন করলেন কৃত্রিম মানব ফুসফুস


বাংলাদেশী বিজ্ঞানীদের বিজয় রথে আবার সাফল্য বয়ে নিয়ে এসেছে আয়েশা আরেফিন টুম্পা নামের একজন তরুণ নারী বিজ্ঞানী। ন্যানো-প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করেছেন কৃত্রিম মানব ফুসফুস।
২০১১ সালে আমেরিকার আলামস ন্যাশনাল ল্যাবেরটরির গবেষক ক্রিস ডেটার বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংক্রান্ত এক কাজে এসে এরকমই এক সম্ভাবনাময় জিন বিজ্ঞানী আয়েশা আরেফিনের দেখা পান। ডেটার ও তাঁর সহকর্মী ল্যান্স গ্রিনের একান্ত সহযোগিতার ফলেই আয়েশা লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবেরটরিতে উচ্চতর পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ পান। টুম্পা বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব নিউ মেক্সিকোতে ন্যানো-সায়েন্সের উপর ডক্টরেট করছেন। একই সাথে লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবেরটরিতে চলছে তাঁর গবেষণা।
আয়েশা তাঁর ক্যারিয়ার শুরু করেন লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবেরটরির বায়ো-সিকিউরিটি বিভাগে। এরপরেই ঐ ল্যাবের ভারতীয় গবেষক প্রখ্যাত টক্সিকোলজিস্ট রাশি আইয়ার আয়েশাকে অপ্টোজেনিক্স সঙ্ক্রান্ত গবেষণা কাজের জন্য নিয়োগ দেন। প্টোজেনিকস হচ্ছে জিন-বিদ্যা ও প্রোটিন প্রকৌশল(ইঞ্জিনিয়ারিং) এর মাধ্যমে জীবন্ত টিস্যুর মাঝে ঘটতে থাকা বিভিন্ন স্নায়বিক কাজ (neuron activity) নিয়ন্ত্রণ করা। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও কৃত্রিম টিস্যু বা কলা তৈরি করা সম্ভব।
আয়েশা ও রাশি আয়ারের দলের অন্যান্য সদস্যরা বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট বিষক্রিয়া, রোগ ও কৃত্রিম অংগ সংস্থাপনের জন্য সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছেন। তাঁরা একটি কৃত্রিম মানব ফুসফুস তৈরি করেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, Chronic Obstructive Pulmonary Disease এর সময় ফুসফুসের কোষগুলো কিভাবে কাজ করে তা জানা ও এর প্রতিষেধক উদ্ভাবন করা।। এটি হচ্ছে তৃতীয় সর্বোচ্চ ভয়াবহ রোগ যাতে আমেরিকার অনেক মানুষ মৃত্যুবরণ করে। আয়েশা একই সাথে বিভিন্ন স্নায়বিক ব্যাধি ও মস্তিষ্কে রক্ত-ক্ষরণ নিয়েও গবেষণা করছেন।
বাংলাদেশী বিজ্ঞানী আয়েশা আরেফিন টুম্পা ভবিষ্যতে দেশে ফিরে এসে মানুষের জন্য কাজ করতে আগ্রহী। দেশে থাকাকালীন সময়ে তিনি নির্যাতিত নারীদের পুনর্বাসনের জন্য কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি এইচ আই ভি/এইডস নিয়ে পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেও কাজ করেছেন। তাঁর ইচ্ছা দেশে এসে নিজের বাড়িতে একটি স্কুল খোলার। যেখানে যে কোন শিশু বিজ্ঞান ও গণিত পড়ার সুযোগ পাবে।
আয়েশা আন্তরিকভাবেই বিশ্বাস করেন ভাগ্য ও আশেপাশের কিছু মানুষের সহযোগিতা ছাড়া তাঁর এই সাফল্য আসতো না। তিনি বলেন, “ আমি আমার গবেষণাগারের, এর মানুষগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি আনন্দিত যে ব্যতিক্রম কিছু করার সুযোগ পেয়েছি”। তিনি আরো বলেন লস আলামসে কর্মরত অন্য অনেক দেশের গবেষক বিশেষ করে মন্টেনিগ্রোর গবেষক Momo Vuyisich তাঁর জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

ধানি জমি থেকে বছরে ৫০ মিলিয়ন কার্বন বিক্রির সম্ভাবনা



পৃথিবীর উষ্ণতা ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়ায় এ নিয়ে সারা দুনিয়ার মানুষ উদ্বিগ্ন। ঊনবিংশ শতাব্দীতে শিল্পবিপ্লবের পরপরই মূলত বিশ্বে বায়ুম-লের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ সময়ের পর থেকে শিল্প উৎপাদনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা, তেল বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেনের মতো গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত করে পরিবেশে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এতে সূর্য থেকে যে পরিমাণ তাপ পৃথিবীতে পতিত হচ্ছে, ঠিক সে পরিমাণ তাপ প্রতিফলিত হয়ে মহাশূন্যে ফিরে যেতে পারছে না। এর ফলে তাপের একটা অংশ কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন শোষণ করে এরা নিজেরা যেমন উত্তপ্ত হচ্ছে, তেমনি গোটা বায়ুম-লকেও উত্তপ্ত করে তুলছে। আমাদের বায়ুম-লের জলীয় বাষ্প প্রায় ৩৬ থেকে ৭০ শতাংশ, কার্বন ডাই-অক্সাইড ০৯ থেকে ২৬ শতাংশ, মিথেন ০৪ থেকে ০৯ শতাংশ, ওজোন ০৩ থেকে ০৭ শতাংশ পর্যন্ত গ্রিনহাউসের জন্য দায়ী বলা যেতে পারে। তবে এর মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন গ্যাস নানা কারণে পরিবেশের বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির জন্য দায়ী। কারণ মানুষ খুব দ্রুত বায়ুম-লে এ গ্যাসগুলোর পরিমাণ বৃদ্ধি করছে ও অদ্যাবধি করে চলেছে। এ কারণে বিশ্বে বায়ুম-লের তাপমাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি গবেষণা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বর্তমানে যে পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো হয়, তা থেকে প্রতি বছর আনুমানিক ২১.৩ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়। এর একটা অংশ সবুজ গাছপালা সালোক-সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় তাদের খাদ্য প্রস্তুতির জন্য ব্যবহার করে নিজের ভেতরে কার্বন সংবন্ধন করে থাকে। তারপরও প্রতি বছর ১০.৬৫ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুম-লে অতিরিক্ত হিসেবে জমা হচ্ছে।

বর্তমানে শিল্পায়নের যুগে যেখানে উন্নত দেশগুলো মাত্রারিক্ত কার্বন তথা কার্বনডাই-অক্সাইড ও মিথেনের মতো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ করে পরিবেশ দূষণের মাধ্যমে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি করছে, সেখানে বাংলাদেশ নিঃসরিত এসব কার্বন গ্রহণ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিরূপ প্রতিক্রিয়া থেকে বিশ্বম-লকে রক্ষা করছে। কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন গ্যাস নিঃসরণে ধান গাছের প্রভাব শীর্ষক প্রকল্পের ওপর দীর্ঘ ৯ বছর গবেষণা করে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ঘাটন করতে সফল হয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের গবেষক অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল বাতেন। কার্বন ডাই-অক্সাইড নিয়ে এশিয়ার পবিবেশ সংস্থা এশিয়া ফ্লাস্কের নিবন্ধনকৃত তিনি প্রথম বাংলাদেশী গবেষক, যিনি পরিবেশ থেকে কার্বনডাই-অক্সাইড ও মিথেন গ্যাস নিঃসরণে ধান গাছের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ঘাটনে সফলতা পেয়েছেন। তাকে এ গবেষণায় সাহায্য করছেন জাপানের দুইজন গবেষক ড. আকিরা মিয়াতা ও ড. মাসায়সি মানো।

জানা যায়, জাপান সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত 'কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন গ্যাস নিঃসরণে ধান গাছের প্রভাব' প্রকল্প নিয়ে ২০০৬ সাল থেকে বিদেশি সব অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে প্রায় ৯ বছর গবেষণা করে তিনি এ সাফল্য পান। এশিয়ার মধ্যে জাপান ও কোরিয়ার পর তার নেতৃত্বে তৃতীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশে কাজ করে বিস্তর গবেষণা শেষে তিনি এমন সাফল্যও পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন ড. বাতেন।

ড. আবদুল বাতেন গবেষণা কর্মকা- সম্পর্কে বলেন, আমি ২০০৬ সালে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আমেরিকা থেকে অত্যাধুনিক যন্ত্র Li-cor ৭৫০০ ও Li-cor ৭৭০০ নিয়ে এসে বাকৃবি গবেষণা খামারে গবেষণা শুরু করি। বর্তমানে এগুলোর সাহায্যে সরাসরি জাপান থেকেও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ যন্ত্রের সাহায্যে প্রায় ৯ বছর ধানের ওপর বাতাসের কার্বনডাই-অক্সাইডর ঘন মাত্রা, জলীয় বাষ্প, তাপমাত্রা ইত্যাদি নানা তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছি। গবেষণার ফলে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আমাদের দেশের ৭০ শতাংশ আবাদি ধানি জমি বায়ুম-ল থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫০ মিলিয়ন টন কার্বন অথবা ১৮৪ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস পরিবেশ থেকে গ্রহণ করছে।

কার্বন ক্রেডিট বা কার্বনের বাণিজ্যিকীকরণ সম্পর্কে ড. বাতেন বলেন, যেখানে উন্নতর দেশগুলোর শিল্পায়নের কারণে বায়ুম-লে কার্বন ডাই-অক্সাইডর পরিমাণ প্রতি বছর প্রায় ২ পিপিএম বা তারও বেশি হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যারা সর্বোচ্চ মাত্রায় কার্বডাই-অক্সাইড নির্গমন করে, তারা হলো চীন ২২.৩০ শতাংশ, আমেরিকা ১৯.৯ শতাংশ, ভারত ৫.৫০ শতাংশ, রাশিয়া ৫.২৪ শতাংশ, জাপান ৪.২৮ শতাংশ। তবে কিউটো প্রটোকল অনুযায়ী, বিশ্বকে উষ্ণতার হাত থেকে রক্ষা করে বসবাসের উপযোগী করে তুলতে উন্নত দেশগুলো তাদের দেশ থেকে ৫ শতাংশ কার্বন কমানোর সমপরিমাণ কল-কারখানার কমিয়ে ফেলবে। তবে যদি তারা তা করতে না চায়, তবে তারা সবুজ পরিবেশের দেশ থেকে ওই পরিমাণ কার্বন কিনতে পারবে, যে পরিমাণ কার্বন ওই সবুজ দেশের পরিবেশ-প্রকৃতি থেকে গ্রহণ করে পরিবেশকে উষ্ণতার হাত থেকে রক্ষা করছে। এর জন্য এর আগে বছরগুলোতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে শিল্পোন্নত দেশগুলো স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণস্বরূপ ২৮০ মিলিয়ন ডলার তহবিল দিতে সম্মতি জানায়। যদিও চুক্তিটি বাস্তবায়ন হবে ২০১৫ সালে প্যারিস সম্মেলনে, তার পরও এতে বাংলাদেশের মতো স্বল্পোন্নত দেশগুলো আর্থিক সহায়তা পেলে বনায়নের দিকে কিছুটা ধাবিত হবে।

বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশে ১১.৫৩ মিলিয়ন হেক্টর জমিতে প্রতি বছর চাষ করা হয় আউশ, আমন, বোরো_ যা প্রতিনিয়ত বায়ুমন্ডেল থেকে গ্রহণ করে শুধু দেশেই নয়, গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বিশ্ব উষ্ণতা প্রতিরোধে। তাই আমাদের দেশের এ সবুজ পরিবেশ প্রতি বছরে যে ৫০ মিলিয়ন টন কার্বন গ্রহণ করছে, তা আমরা উন্নত বিশ্বের দেশের কাছে বিক্রি করতে পারি। তাই বাংলাদেশ ধানি জমির ৫০ মিলিয়ন টন পরিমাণ কার্বন উন্নতর দেশের কাছ থেকে কার্বন ক্রেডিট করতে পারে। তেমনি উন্নত দেশগুলো তাদের দেশ থেকে কল-কারখানা না কমিয়ে তাদের শিল্প উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারে। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশ তার সুন্দরবন, মধুপুর, বান্দরবানের মতো বনভূমির দ্বারা গ্রহণকৃত কার্বন থেকে কার্বন ক্রেডিটের মাধ্যমে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

মহিষের জিনোম সিকোয়েন্স শনাক্ত করল বাংলাদেশী গবেষকরা

প্রথম কোনো প্রাণীর জীবন রহস্য উন্মোচন করলেন বাংলাদেশের একদল বিজ্ঞানী। ‘ব্ল্যাক গোল্ড’ নামে খ্যাত পশু মহিষের জিন নকশা উন্মোচনের মাধ্যমে জীববিজ্ঞানের গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন বিজ্ঞানীরা। ২৪ তারিখ বিকেলে রাজধানীর র‍্যাডিসন হোটেলের বল রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চীনের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের এই আবিষ্কারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
প্রকল্পটি জীববিজ্ঞানী, বায়ো-ইনফরমেটিশিয়ান ও তথ্য-প্রযুক্তিবিদদের সমন্বয়ে গঠিত একদল গবেষক মহিষের জেনোম উপাত্ত থেকে জৈবিক উপাদান শনাক্ত ও বিশ্লেষণ করেছেন। এ গবেষণায় পাওয়া উপাত্তগুলো মহিষের উন্নত ও অধিক উৎপাদনশীল জাত উন্নয়নে সহায়ক হবে। গবেষক দলটির নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশের লাল তীর লাইভস্টক লিমিটেড ও গণচীনের বিজিআইর বিজ্ঞানীরা।
এ গবেষণায় পাওয়া জীনের আকার ২ দশমিক ৯৪৬ এন। এ গবেষণায় মোট ২১ হাজার ৫৫০টি জিন শনাক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। গবেষণা কাজে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ দলের প্রধান লাইভস্টক গবেষক মনিরুজ্জামান বলেন, মহিষ বাংলাদেশের প্রাণীজ আমিষের একটি বৃহৎ উৎস। দেশের প্রাণীজ আমিষের মূল যোগানদাতাদের মধ্যে মাংস ও দুধের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আসে মহিষ পালন থেকে। বাংলাদেশের উপকূলীয় ও নদী বিধৌত অঞ্চলে মহিষ পালন করা হয়। সারা বিশ্বে বিশেষত ভারত ও পাকিস্তানে মহিষ খামারে পালন করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো মহিষ সনাতন পদ্ধতিতে পালন করা হয়।
আমাদের দেশে মহিষের খামার গরুর খামারের তুলনায় বেশি লাভজনক। কারণ গরুর তুলনায় মহিষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। গরুর তুলনায় মহিষের মাংস-দুধও বেশি পুষ্টিকর। মহিষের দুধে স্নেহজাতীয় পদার্থের পরিমাণ প্রায় ৮ শতাংশ, যেখানে গরুর দুধে এর পরিমাণ ১ থেকে ৩ শতাংশ। মহিষের মাংসে তুলনামূলক চর্বিও অনেক কম। এছাড়াও মাথাপিছু মাংস ও দুধ উৎপাদনশীলতায় মহিষ গরু থেকে অধিকতর উৎপাদনশীল।
বিজ্ঞানী ড. মনিরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ মহিষ পালনে এশিয়ায় নবম স্থানে। দেশে মহিষের সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ। এফএও-এর এক গবেষণায় পাওয়া যায়, বাংলাদেশে দৈনিক মাথাপিছু দুধের চাহিদা ২৫০ গ্রাম। কিন্তু সরবরাহের পরিমাণ মাত্র ৩০ গ্রাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী দেশে মাথাপিছু মাংস সরবরাহের পরিমাণ বছরে মাত্র ৭ দশমিক ৪৬ কেজি। যেখানে চাহিদা ৮০ কেজি হওয়া দরকার। মনিরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের ভোলার সুবর্ণ চর এবং ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর থেকে গবেষণা উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়। মূলত ২০১১ সালের মার্চ মাস থেকে বিজিআইর সহযোগিতায় এ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

Sunday, April 20, 2014

মজার কৌতুক

চুল কেন সাদা
ছেলে : মা তোমার চুল সাদা কেন?
মা : ছেলেমেয়েরা দুষ্টু হলে বাবা-মায়ের চুল সাদা হয়ে যায়।
ছেলে : ও বুঝেছি, তাই তো নানীর মাথার চুল এত সাদা।


সেভেন সেকেন্ড ইয়ার
ভদ্রমহিলা : বাবা, তুমি কোন ক্লাশে পড়।
বালক :ক্লাশ সেভেন সেকেন্ড ইয়ার।
ভদ্রমহিলা : এটা আবার কেমন ক্লাশ?
বালক : আমি সেভেনে দুই বছর পড়ছি তো তাই।

হাসির বই

বই বিক্রেতা : এই বইটা পড়লে হাসতে হাসতে মারা যাবেন।
ক্রেতা : তাহলে এক কপি দিন। আমার বসকে পড়তে দেব।

অপেক্ষা
ডাক্তার : আপনার কি হয়েছে?
রোগী : ডাক্তার সাহেব আমাকে বাঁচান! আমি মনে হয় ১০মিনিটের মধ্যে মারা যাবো।
ডাক্তার : একটু অপেক্ষা করুন, আমি ২০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসছি।

ডাক্তার ও রোগী
রোগী : ডাক্তার সাহেব, আমার খুব খারাপ লাগছে। মনে হয় আমি মরে যাবো।
ডাক্তার : কোন চিন্তা করবেন না। ওটা আমার উপর ছেড়ে দিন।

দাঁত তোলা
এক দাঁতের রোগী ডাক্তারের সঙ্গে ভিজিট নিয়ে তর্ক করছে।
রোগী : একটা দাঁত তোলার জন্য তিনশ টাকা! এটা তো এক মিনিটের কাজ।
ডাক্তার : আপনি চাইলে আমি আরো সময় নিয়ে তুলে দিতে পারি।
japani and indian

এক জাপানী ইন্ডিয়ান এয়ারপোর্টে যাচ্ছে টেক্সি দিয়ে। রাস্তায় সে অনেক রকমের হুন্ডা, গাড়ি দেখলো যেগুলো জাপানী। এবং প্রতিটা দেখার সাথে সাথে সে বলত Made in Japan। ড্রাইভার একটু মন খারাপ করল কিন্তু কিছু বলল না। এয়ারপোর্টে পৌছিয়ে সে দাম বলল। দাম শুনে জাপানী বলল- কি এত দাম?
দাম হবে না? meter made in india


স্ত্রী : তোমার বন্ধু যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে সে মেয়েটা কঠিন দজ্জাল । তাকে বারণ করো।
স্বামী : কেন বারণ করব ও কি আমার সময় বারণ করেছিল ?

গৃহ শিক্ষক :আমার সঙ্গে সঙ্গে বল ,লেখাপড়া করে যে গাড়ি ঘোড়ায় চড়ে সে ।
ছাত্র : কথাটা ঠিক না স্যার ।
শিক্ষক :কেন ?
ছাত্র : কারন আপনি তো অনেক লেখাপড়া করেছেন ! তাহলে আপনি রোজ রোজ হেঁটে আমাকে পড়াতে আসেন কেন ?

তিন বন্ধু ঘুম থেকে উঠে একজন আরেক জনকে তাদের স্বপ্নের কথা বলছে ­­
১ম জন: জানিস , স্বপ্নে দেখলাম মরুভুমির পাথর-বালু সব সোনা হয়ে গেছে ,এবং আমি ওগুলোর মালিক হয়েছি ।
২য় জন: আমি স্বপ্নে দেখলাম আকাশের সব তারা স্বর্নমুদ্রা হয়ে গেছে এবং সব মুদ্রার মালিক হয়ে গেছি ।
৩য় জন: আর আমি স্বপ্নে দেখলাম এত কিছু পেয়ে তোরা দুজনেই হার্ট ফেল করেছিস এবং তার আগে তোরা তোদের সব কিছুই আমাকে উইল করে দিয়ে গেছিস ।

গৃহশিক্ষক :গতকাল যে বলেছিলাম চারটা ইংরেজী বাক্য শিখে রাখতে ,তা শিখেছ ?
ছাত্র : নো স্যার ।
গৃহশিক্ষক : কেন ?
ছাত্র :নাউ আই অ্যাম বিজি স্যার ।
গৃহশিক্ষক: যতই ব্যাস্ত থাক তোমাকে বলতেই হবে ।
ছাত্র : ডোন্ট ডিষ্টার্ব মি !
গৃহশিক্ষক :কী! এত বড় সাহস !
ছাত্র : ইউ শার্ট আপ!
গৃহশিক্ষক : বেয়াদব ছেলে ! তোমাকে ।আমি পড়ানো না ! ছাত্র কেন স্যার ? আমি তো চারঠি ইংরেজী বাক্যই বলতে পেরেছি !

ম্যানেজার: তুমি নাকি আলমিরার চাবি আবারও হারিয়েছ?
কেরানি: জ্বী স্যার।
ম্যানেজার: আগে একটা হারিয়েছিলে তাই এবার তালার সঙ্গে দুটো চাবিই তোমাকে দিয়েছিলাম ।
কেরানি: দুটোই হারাই নি স্যার ! একটা মাত্র হারিয়েছি ।
ম্যানেজার: তাহলে অন্যটা কোথায় ?
কেরানি: হারিয়ে যাবার ভয়ে আগে থেকেই সাবধান ছিলাম । তাই ওটা আলমিররার মধ্যেই সংরক্ষণ করে রেখেছিলাম ।

স্বামী-স্ত্রী ঝগড়া করছে । ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্ত্রী স্বামীর গালে চড় মারল-
স্বামী: তুমি আমাকে চড়টা সিরিয়াসলি মেরেছ, নাকি ইয়ার্কি করে মেরেছ ?
স্ত্রী: সিরিয়াসলিই মেরেছি ।
স্বামী:তাহলে আজ বেঁচে গেলে। তুমি তো জানো আমি ইয়ার্কি একদম পছন্দ করি না।

Friday, April 18, 2014

Jadur Shohor (জাদুর শহর)

কবি হাসে, টাকা ভাসে
গঙ্গাবুড়ির শহরে
আসমান তুই কাঁদিস কেন
অট্টালিকার পাহাড়ে
মিছে হাসি, মিছে কান্না
পথে পথের আড়ালে
গ্রিন সিগনাল, রেড ওয়াইন
দেওয়ালে, দেওয়ালে
এই শহর, যাদুর শহর
প্রানের শহর ঢাকারে
এই শহর, যাদুর শহর
প্রানের শহর আহারে
নিয়নের রাস্তায় স্বপ্নের ভোর হয়
মিছিলের নগরে অমৃত আশ্রয়
অলি থেকে গলিতে
গলি ছেড়ে রাজপথ
শহুরে চৌকাঠ বিবাগী জনমত
এই শহর, যাদুর শহর
প্রানের শহর ঢাকারে
এই শহর, যাদুর শহর
প্রানের শহর আহারে
জাদুকর হেটে যায় খুব উচ্ছন্নে
হুইসেল, পটাকা রামভোর হন্নে
ললনার ছলনা শহরের বুকে চির
রাস্তায় রাস্তায় ফুটপাত অস্থির
এই শহর, যাদুর শহর
প্রানের শহর ঢাকারে
এই শহর, যাদুর শহর
প্রানের শহর আহারে

ভালো থেকো- হুমায়ুন আজাদ

ভালো থেকো ফুল, মিষ্টি বকুল, ভালো থেকো।
ভালো থেকো ধান, ভাটিয়ালি গান, ভালো থেকো।
ভালো থেকো মেঘ, মিটিমিটি তারা।
ভালো থেকো পাখি, সবুজ পাতারা।
ভালো থেকো।
ভালো থেকো চর, ছোট কুড়ে ঘর, ভালো থেকো।
ভালো থেকো চিল, আকাশের নীল, ভালো থেকো।
ভালো থেকো পাতা, নিশির শিশির।
ভালো থেকো জল, নদীটির তীর।
ভালো থেকো গাছ, পুকুরের মাছ, ভালো থেকো।
ভালো থেকো কাক, কুহুকের ডাক, ভালো থেকো।
ভালো থেকো মাঠ, রাখালের বাশিঁ।
ভালো থেকো লাউ, কুমড়োর হাসি।
ভালো থেকো আম, ছায়া ঢাকা গ্রাম, ভালো থেকো।
ভালো থেকো ঘাস, ভোরের বাতাস, ভালো থেকো।
ভালো থেকো রোদ, মাঘের কোকিল,
ভালো থেকো বক, আড়িয়ল বিল,
ভালো থেকো নাও, মধুমতি গাও,ভালো থেকো।
ভালো থেকো মেলা, লাল ছেলেবেলা, ভালো থেকো।
ভালো থেকো, ভালো থেকো, ভালো থেকো।

Wednesday, October 30, 2013

Excellent Story In Bangla

If you want to read some excellent Story in bangla, you can visit SOTTOMITTHA . It carry different type story , article which give a beautiful look to see people , also remove monotonous in our life . It contains many kind of quiz that answer is ease but you must think a little.


http://www.sottomittha.blogspot.com

Wednesday, October 23, 2013

( ১৮ +++ ) বড়দের ১০১ খান জোকস ( ১০ম কিস্তি ১১ খান )

91
 কুদ্দুস চাচা বাসে উঠে একাই একটা ডাবল সীট দখল করে বসেছেন।
 কিছুক্ষণ পর একজন তরুনী এসে চাচার পাশে বসে পড়ল।
একটু পর মেয়েটি বলল
 মেয়ে – চাচা একটু চাপবেন
চাঁচা – কই চাপমু
 মেয়ে – একটু বামে চাপেন
চাঁচা - বাসের মইধ্যে কেমনে চাপি! লও দুই জনেই নাইমা একখান রিক্সা লই…

 92
শিক্ষক ছাত্রকে বাঙলা ২য় সাজেশন দিচ্ছেন........
শিক্ষক:ভাষা পড়িবে,লিঙ্‌গ নিয়া নাড়াচাড়া করিবে, ধাতু আসিলেও আসিতে পারে।
ছাত্র:সার ,সবসময় লিঙ্‌গ নাড়াচাড়া করিলে আমার ধাতু আসে।কিন্‌তু পরীক্ষায় তো COMMON পড়ে না।

 93
ছাত্রীঃ স্যার, দরজা জানালা বন্ধ
করে দিন!
স্যারঃ কেন?
ছাত্রীঃ আপনাকে একটা চমৎকার জিনিস
দেখাব!!!
স্যারঃ সত্যি??? (অবাক হয়ে)
ছাত্রীঃ হ্যাঁ, আগে দরজা জানালা সব
কিছু বন্ধ করে দিন,
যাতে আলো না আসে!!
স্যারঃ তারপর?? আর কিছু??
ছাত্রীঃ আমার কাছে আসেন।
স্যারঃ ওহ!! তারপর? আর
 কি করে
ছাত্রীঃ স্যার, এবার দেখেন। আমার
নতুন ঘড়িতে লাইট জ্বলে!!

94
 স্বামী স্ত্রী সন্তান, এই নিয়ে পরিবার।
 যখন সন্তান ছিলনা তখন স্বামী স্ত্রী সেক্স চাইলে যখন তখন বলতে পারতো।
 কিন্তু সন্তান বড় হওয়াতে সন্তানের সামনে তো এসব বলা যায়না। আকারে ইংগিতে বলতে হত। সেজন্য স্বামী একটা কোড তৈরী করলো যে যখন ওদের সেক্স করতে ইচ্ছে করবে তখন তারা এই কোড ব্যবহার করবে। কোডটা হল যে, যখন ওদের সেক্স করতে ইচ্ছে হবে তখন ওরা বলবে যে চল আমরা টাইপ করি। এতে বাচ্চা বুঝবে যে …বাবা মায়ের হয়তো টাইপ করার কাজ আছে। যেমন কথা তেমন কাজ। ওরা সেক্স করার কোড নাম দিল টাইপ করা।
 একদিন দুপুর বেলা স্বামী বেচারার টাইপ করতে ইচ্ছে হল। সে বাচ্চাটাকে বললো- যাওতো বাবা তোমার মাকে গিয়ে বল যে বাবা টাইপ করতে চায় তোমাকে টাইপ মেশিন নিয়ে যেতে বলেছে। ছেলে মাকে গিয়ে বললো- মা, বাবা টাইপ করবে তোমাকে বলেছে টাইপ মেশিনটা নিয়ে যেতে। মা বললো- তোমার বাবাকে গিয়ে বল টাইপ মেশিনে লাল কালি পরে, এখন টাইপ করা যাবেনা। ছেলে বাবাকে গিয়ে বললো- বাবা মা বলেছে টাইপ মেশিনে লাল কালি পরে, মা বলেছে এখন টাইপ করা যাবেনা। বাবা বুঝতে পারলো ঘটনা কি। সে উপায় না দেখে বাথরুমে ঢুকে হাত দিয়ে কাজ সেরে ফেললো। এদিকে বউ চিন্তা করলো স্বামী সেক্স চাইছে, না দিলে ওর কষ্ট হবে। এই ভেবে লাল কালি পরা অবস্থায়ই সেক্স করতে রাজি হল। সে ছেলেকে ডেকে বললো- তোর বাবাকে গিয়ে বল, মা মেশিন নিয়ে আসছে আপনাকে টাইপ করার জন্য রেডি হতে বলেছে। ছেলে বাবাকে গিয়ে একথা বলতেই বাবা বললো- তোর মাকে গিয়ে বল, টাইপ মেশিন লাগবেনা বাবা হতে লিখে ফেলেছে।

 95
''Exam" এবং "Sex" এর পর একটা মেয়ের ফীলিংস একই রকম থাকে, যেমনঃ
*কত্ত লম্বা ছিল, ইস্! যদি আরেকটু সময় পেতাম।
*প্রথমে কত ভয় লাগতেছিলো, কিন্তু পরে যে কীভাবে হয়ে গেলো বুঝলাম না।
*আমি তো অজ্ঞানই হয়ে গেছিলাম, ৩ ঘন্টা পর জ্ঞান ফিরছে।
*রাতে তো একটুও শুতে পারি নাই,কেমন যেনো অদ্ভূত লাগতেছিলো।
*এরপর থেকে সব কাজ বুঝে শুনে করব।

 96
 এক জাওরা সার তার গার্লফ্রেন্ড রে নিয়া রুম ডেট করার সাধ জাগল। এক ছাত্ররে কইল বাইরে খাড়ায়া পাহাড়া দিতে যদি কেও আসে তাইলে যেন জুড়ে জুড়ে কাশি দেয়।
 তো সার রুমে ঢুইকা কাম করতাছে হঠাৎ ছাত্র জোরে জোরে কাশাকাশি লাগাইয়া দিল, সার সাথে সাথে মাইয়ার ওই জাগাটা তার মাথার টুপি দিয়া ঢাইকা খাটের নিচে পলায়া গেল । কিন্তু ছাত্র সারের কোন শারা শব্দ না পায়া রুমে ঢুইকা দেখে যে সার নাই আর মাইয়ার ওই জাগায় টুপি ।
 ছাত্র সাথে সাথে পায়জামা খুইলা করতে লাগল আর চিল্লায়া চিল্লায়া কইতে লাগলঃ
`সার` “এইটা ধইরা বাইর হন”!! “এইটা ধইরা বাইর হন” !!

 97
 মাঃ যদি কোন ছেলে তোমার বুকে হাত দেয় তাইলে তুমি বলবা ‘don’t’। আর যদি কেউ তোমার নিচে (?) হাত দেয় তাইলে তুমি বলবা ‘stop’।
 কিছুদিন পর……
 মেয়েঃ মা একটা ছেলে আমার বুকে আর নিচে এ হাত দিছিল, আমি তাকে নিষেধ করসি কিন্তু সে এরপর আরো জোরে জোরে আমার বুকে আর নিচে হাতাতে লাগল।
 মাঃ তুমি কি বলছিলা???
 মেয়েঃ ছেলেটা আমার বুক আর নিচে একসাতে হাত দিচ্ছিল তো, তাই তাকে আমি বলসিলাম ‘don’t’ ‘stop’।

 98
এক মেয়ে পত্রিকায় লাইফ পার্টনার এর জন্য বিজ্ঞাপন দিসে: “ আমার এমন একজন মানুষ দরকার যে আমাকে কখনও ছেড়ে যাবেনা, আমার গায়ে কখনও হাত তুলবেনা এবং আমাকে বিছানায় সুখী করতে পারবে”
পরের দিন এক লোক ওই মেয়ের দরজায় টোকা দিলো যার হাত এবং পা কোনটাই ছিল না
মেয়ে: কে আপনি?
লোক: আমি তোমার স্বামী হতে চাই
মেয়ে: কিন্তু তুমি তো ফিট না
লোক: আমি 100% ফিট। আমার হাত নাই;তাই আমি তোমার গায়ে হাত তুলতে পারবো না। আমার পা নাই তাই আমি তোমাকে ছেড়ে যেতে পারবো না
মেয়ে : আর আমাকে বিছানায় সুখী করবে কিভাবে?

▐
▼

▐
 ▼
লোক: তাহলে আমি দরজায় টোকা দিলাম কী দিয়ে?

 99
 এক ফরাসী, এক ইতালীয় আর এক বাঙালি ট্রেনে বসে নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে গল্প করছে।
 ফরাসী বলছে, 'গত রাতে আমার বউকে চারবার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।'
 ইতালীয় বলছে, 'গত রাতে আমার বউকে ছয়বার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।'
 বাঙালি চুপ করে আছে দেখে ফরাসী তাকে প্রশ্ন করলো, 'তা তুমি গত রাতে তোমার বউকে ক'বার আদরসোহাগ করেছো?
 বাঙালি বললো, 'একবার।'
 ইতালীয় মুচকি হেসে বললো, 'তোমার বউ সকালে তোমাকে কী বললো?'
 'ওগো, থামো, আর না ...।'

 100
 তিন জন মেয়ে রাস্তায় একটা প্রাইভেট কারে ( private car ) লিফট নিল ! তো প্রাইভেট কারে তিন জন তরুন ইঞ্জিনিয়ার যাচ্ছিলো, কাজেই মেয়ে তিনজনের বসার জায়গা ছিল না ! তাই মেয়ে তিন জন ছেলে তিনজনের কোলে বসে পড়ল ! গাড়ী চলছে- ১০ মিনিট পর----->
১ম মেয়ে : আপনি কি ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার ?
১ম ছেলে : ( অবাক হয়ে ) আপনি কি করে বুঝলেন ?
 ১ম মেয়ে : নাহ, মানে আপনার টাওয়ার চেষ্টা করছে আমার নেটওয়ার্কহীন জাগায় নেটওয়ার্ক স্থাপন করতে !!!!!!
২য় মেয়ে : আপনি কি কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ?
২য় ছেলে : ( অবাক হয়ে ) আপনি কি করে বুঝলেন ?
 ২য় মেয়ে : নাহ, মানে আপনার পেনড্রাইভ মনে হচ্ছে আমার ইউ এস বি তে কানেক্ট হতে চাচ্ছে !!!!
৩য় মেয়ে : আপনি কি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ?
৩য় ছেলে : ( অবাক হয়ে ) আপনি কি করে বুঝলেন ?
৩য় মেয়ে : নাহ, মনে হচ্ছে আপনার পিস্টন মনে হয় আমার সিলিন্ডারে ঢুকতে চাচ্ছে !!!!!!!! xD :p

 101
 একজন মহিলা একটা বাচ্চা নিয়ে ডাক্তারের পরীক্ষাকক্ষে বসে আছে ডাক্তারের অপেক্ষায়।
 কিছুক্ষন পর যুবক একজন ডাক্তার আসলেন, বাচ্চাটিকে পর্যবেক্ষন করলেন, ওজন নিলেন এবং মন্তব্য করলেন- বাচ্চাটির ওজন ঠিকমতো বাড়তেছে না।
 তারপর তিনি জানতে চাইলেন বাচ্চাটিকে বুকের দুধ না কৌটার দুধ খাওয়ানো হয়।
 বুকের দুধ খাওয়ানো হয়, মহিলা জবাব দিল।
 ভালো কথা, আপনি আপনার বুকের কাপড় খুলেনতো, ডাক্তার আদেশ করলো।
 মহিলা ডাক্তারের কথামত বুকের কাপড় খুলে রাখলো।
 ডাক্তার মহিলার স্তনদুটো ভালো মত পর্যবেক্ষন করলেন, আস্তে আস্তে চাপলেন এবং বেশ খানিকটা সময় নিয়ে মেসেজও করলেন, তারপর কাপড় পরিধান করতে বললেন।
 যা সন্দেহ করেছিলাম তাই, বাচ্চাটা সবসময় ক্ষুধার্ত থাকে করন আপনার বুক থেকে সে এক ফোটা দুধও পায় না, ডাক্তার সাহেব মন্তব্য করলেন।
 আপনার পর্যবেক্ষনে খুশি হলাম, মহিলা জবাব দিল।
দুধ না পাবারই কথা কারন আমি আসলে বাচ্চাটির মা না, কুমারী খালা !!


বিঃ দ্রঃ কোনো জোকস কমন পরলে আমার দোষ নাই 
জোকস গুলো পড়ে কারো মুখে একটু হাসি পেলে ও নিজেকে সার্থক ভাববো আর হাসি স্বাস্থের জন্য ও ভালো।

( ১৮ +++ ) বড়দের ১০১ খান জোকস ( ৯ম কিস্তি ১০ খান )

81
ছোট মেয়ে তার মাকে বলছে-- জানো মা আপু না অন্ধকারেও দেখতে পায়।
মা -- কেমন করে বুঝলি?
 ছোট মেয়ে-- প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়ার সময় যখন কারেন্ট চলে গেল তখন আপু না আমার স্যারকে বলছে এই তুমি আজ সেভ কর নাই ক্যান?

 82
 প্রেমিকা : জানু ,আজ তো ভেলেন্টাইন্স ডে, আমাকে এমন ভাবে Propose করো যেভাবে আজ পর্যন্ত কোন ছেলে কোন মেয়ে কে করেন .
প্রেমিক : হারামজাদি, কুত্তি , কলংকিনি, শয়তানের শয়তান আই লাভ ইউ চো মাচ আমাকে বিয়ে করে আমার জীবন ধ্বংশ করে দে ডাইনি...!!

 83
 আপনি কি বোর হচ্ছেন??
 .কিছু করতে ইচ্ছা করছে??
 তাহলে চেইন খোলেন
 হাত ভিতরে ঢুকান
 আর ব্যাগ থাইকা বই বাহির কইরা পড়েন!!
 সব কিছুতেই খালি আজেবাজে চিন্তা গেলনা না!!!

 84
আসুন কিছু বাংলা ব্যাকরণ শিখি
✏ ডিকশনারি => দিক (Dick) সহ নারী
✏ ধন্যবাদ => ধনের ওপর চাষাবাদ
✏ মানব-বন্ধন => মানবের বনে ধন
✏ ফালগুনি => ফাঁকায় বসে বাল গুনি

 85
এক ছেলে এক মেয়েকে খুব পছন্দ করত।এক দিন মেয়েটা খুব অসুস্ত হয়ে পরল।তার খুব রক্তের প্রয়োজন।তারপর ছেলেটা তাকে রক্ত দিল।আস্তে আস্তে তাদের মাঝে ভালোবাসার সৃস্টি হল। একদিন মেয়েটি তাকে ছ্যাকা দিল। তখনঃ
ছেলেঃ আমি তোমাকে যে রক্ত দিয়েছি তা ফেরত দেও।
মেয়েটি তার (ন্যপকিন) ছেলেটির মুখে চেলে মেরে বলল-
মেয়েঃ নে হারামযাদা আমি তোর রক্ত (মাশিক কিস্তিতে) ফেরত দেব।

 86
ক্লাসে পড়ানোর সময় শিক্ষক এক ছাত্রী কে জিঞ্জাস করছে শিক্ষক:খেজুর এবং হুজুর এর মধ্যে উচ্চারণ গত মিল থাকলেও এদের ভিতর পার্থক্য কি??
ছাত্রী :স্যার কইতে শরম লাগছে....!!
শিক্ষক :ঞ্জান অর্জনে লজ্জা কিসের ??
ছাত্রী :না.....!! মানে... স্যার খেজুরের ১ টা বিচি আর হুজুরের ২ টা বিচি

 87
 এক লোক দোকানে গেছে তার বৌয়ের জন্য বক্ষবন্ধনী কিনতে।
 লোক: অনুগ্রহ করে আমার বৌয়ের জন্য একটা বক্ষবন্ধনী দেখান।
 সেলস গার্ল : আপনার বৌয়ের সাইজ কতো?
 লোক: তা তো ঠিক জানি না।
 সেলস গার্ল :ঠিক আছে, আপনি আমার বুকে হাত দিয়ে অনুমান করুন।
লোক: জি মানে..ওর একটা পেন্টি ও লাগতো।

 88
 তিন বান্ধবি আলাপ করছে
১ম জনঃ তোরা তো আমার ওকে দেখেছিস ও প্রায় ৬ফুটের উপর লম্বা। তাই বুঝতেই পারছিস ওর জিনিশটা কতো বড়।
 ২য় জনঃ আরে হ্যাঁ আমার ও তো সাড়ে ৫ এর উপর। ওর জিনিশটাও নেহাত মন্দ না।
(৩য় জন এর স্বামী উচ্চতায় অনেক খাটো প্রায় ৫ফুট)
৩য় বান্ধবিঃ (মুখে ভেংচি কেটে) হ্যাঁ হ্যাঁ হয়েছে, টিভির সাইজ ১৪, ২১ আর ২৯ ইঞ্চি যাই হোক রিমোট সব ৬ ইঞ্চিই হয় ।

 89
বিয়ের আগে এক মেয়ে তার বান্ধবীকে বলছে, দোস্ত ফুটা তো বড় হয়ে গেছে স্বামী যদি বুঝতে পারে?
বান্ধবীঃ অসুবিধা নাই, যখন করবে তখন জোরে জোরে চিৎকার করবি ওরে বাবা রে মরে গেলাম রে
বাসর রাতে লাইট বন্ধ করার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ অন্ধকারে স্বামী চিৎকার শুরু করছে ওরে বাবারে মরে গেলাম রে
কি ব্যাপার? কি হলো? এত জোরে জোরে চিৎকার করছো কেন?
আমার বিচিসহ ভিতরে চলে গেছে

90
 প্রেমিক: Kiss করি?
 প্রেমিকা: Lipstick খারাপ হয়ে যাবে৷
 প্রেমিক: বুকে হাত দেই?
 প্রেমিকা: জামা খারাপ হয়ে যাবে৷
 প্রেমিক: Sex করি?
 প্রেমিকা: Period চলছে৷
 ……………………………….
প্রেমিক: Please এবার বলবা না loose motion(ডায়রিয়া) হয়েছে৷

বড়দের ১০১ খান জোকস ( ৮ম কিস্তি ১০ খান ) ( ১৮ +++ )

71
বল্টু স্কুল থেকে এসে আরাম খান কে বলছে, "বাবা, বাবা আজকে না স্কুলে এক নতুন ম্যাডাম আসছে। ম্যাডামটা না একটা মাল!!!
আরাম খান: চুপ কর বেয়াদব ম্যাডাম মায়ের মত।
বল্টুঃ হ্যাঁ , হ্যাঁ , খালি নিজের কথাই ভাব!!!

 72
এক মহিলা বাসে উটে সিট খালি না পেয়ে দাড়িয়ে আছে|
 তার আবার হাতে দুইটা দুধের বোতল|
 এমন সময় কন্টাক্টর আসলো ভাড়া চাইতে. কন্টাক্টরঃ আপা ভাড়াটা দেন তো|
 মহিলাঃ দুধ দুইটা ধরেন, আমি ভাড়া দিচ্ছি|
 কন্টাক্টরঃ আমি এটা পারবো না|
 মহিলাঃ তাহলে আমি এখন ভাড়া দিতে পারবো না|
 তখন কন্টাক্টর তো মহা ঝামেলায় পরে গেল|
 সে গেল ড্রাইভারকে বলতে……
 কন্টাক্টরঃ ওই মহিলা ভাড়া দিতে চাইছে না, সে বলছে আগে তার দুধ দুটো ধরতে হবে|
ড্রাইভারঃ উনি যখন বলছেন তাহলে তোর ধরতে অসুবিধে কোথায়? আর তুই না ধরলে আমি ধৈরা আসি|

 73
 মল্লিকা শেরাওয়াত একদিন বাবা রাম দেব কে জিজ্ঞাসা করল- ''বাবা গোসলের সময় কি লাগালে আমার যৌবন অটুট থাকবে?????? বাবা উত্তর দিল-
''বাথরুম এর দরজা''

 74
একবার ক্লাস এ ম্যাডাম ব্লাউস এ গোলাপ লাগিয়ে ক্লাস এ আসলো
ছাত্রদের জিজ্ঞেস করলোঃগোলাপ, এর পুষ্টি কোথা থেকে পায়
ছাত্রঃদুধ থেকে
ম্যাডামঃনা পানি থেকে!!
ছাত্রঃ আমি ক্যামনে জানমু এইটার ডাঁটা এত নিচে গেছে

 75
 স্যারঃ পাপ্পু, তোর নামে বিচার আসছে তুই নাকি খুব গালাগালি করিস??
পাপ্পুঃস্যার, আমি তো কোনদিন কোন কুত্তার বাচ্চারে গালি দেই নাই,
জানিনা কোন হারামজাদা আপনেরে এইসব কইছে,
ওই হারামি রে যদি একবার সামনে পাইতাম তাইলে লাত্থি দিয়া শুয়োর টার সোনা ভাইঙ্গা দিতাম

 76
 এক জাওরা সার তার গার্লফ্রেন্ড রে নিয়া রুম ডেট করার সাধ জাগল। এক ছাত্ররে কইল বাইরে খাড়ায়া পাহাড়া দিতে যদি কেও আসে তাইলে যেন জুড়ে জুড়ে কাশি দেয়।
 তো সার রুমে ঢুইকা কাম করতাছে হঠাৎ ছাত্র জোরে জোরে কাশাকাশি লাগাইয়া দিল, সার সাথে সাথে মাইয়ার ওই জাগাটা তার মাথার টুপি দিয়া ঢাইকা খাটের নিচে পলায়া গেল । কিন্তু ছাত্র সারের কোন শারা শব্দ না পায়া রুমে ঢুইকা দেখে যে সার নাই আর মাইয়ার ওই জাগায় টুপি ।
 ছাত্র সাথে সাথে পায়জামা খুইলা করতে লাগল আর চিল্লায়া চিল্লায়া কইতে লাগলঃ
`সার` “এইটা ধইরা বাইর হন”!! “এইটা ধইরা বাইর হন” !!

 77
''Exam" এবং "Sex" এর পর একটা মেয়ের ফীলিংস একই রকম থাকে, যেমনঃ
*কত্ত লম্বা ছিল, ইস্! যদি আরেকটু সময় পেতাম।
*প্রথমে কত ভয় লাগতেছিলো, কিন্তু পরে যে কীভাবে হয়ে গেলো বুঝলাম না।
*আমি তো অজ্ঞানই হয়ে গেছিলাম, ৩ ঘন্টা পর জ্ঞান ফিরছে।
*রাতে তো একটুও শুতে পারি নাই,কেমন যেনো অদ্ভূত লাগতেছিলো।
*এরপর থেকে সব কাজ বুঝে শুনে করব।

 78
এক বৃদ্ধ লোক ভিক্ষা করতে করতে একবাসায় গেল, দরজা খুললো এক মহিলা ।
ভিক্ষুক ঃ সোনা দশটা টাকা দিন, সারাদিন কিছুই খাইনি
মহিলা ঃ দাঁড়ান, আমি আনতেছি ।
 কিছুক্ষন পরও মহিলার দেখা না দেখে
ভিক্ষুক ঃ সোনা খারা করায়েন না, দিলে দেন নাইলে না করেন

 79
বিয়ে ঠিক হওয়ার পর মেয়ে মা কে বলছে
মেয়ে ঃ মা আমার ফুটা তো বড় হয়ে গেছে, জামাই তো টের পাবে
 মা ঃ তুই বাশর ঘরে ঢুকার আগে ফুটায় ১ টা কমলা দিয়ে রাখিস
বাশর ঘরের পর দিন সকালে মেয়ে মা কে বলছে ……
মেয়ে ঃ মা সর্বনাশ হয়ে গেছে । আমি কমলা টা বের করে টয়লেট এ গেছি এসে দেখি তোমাদের জামাই শেটা খেয়ে ফেলছে
মা ঃ ধুর বোকা এই টা নিয়ে টেনশন করার কি আছে । আমাদের বিয়ের সময় তোর বাবা পুরা জাম্বুরা খেয়ে ফেলছিল ।

 80
মেয়ে ঃ ওমাগো আর পারতেছি না
ছেলে ঃ আর একটু ডার্লিং
মেয়ে ঃ উঃ একটু আস্তে ঢুকাউ
ছেলে ঃ এইতো সোনা, ঢুকে গেছে
 মেয়ে ঃ ইসস মাগো , খুব ব্যাথা লাগছে তো আর ঢুকাইয়ো না
ছেলে ঃ এতো নরা চরা করলে হাতে চুরি ঢুকাবো কেমনি ?

Tuesday, October 22, 2013

বড়দের ১০১ খান জোকস (৭ম কিস্তি ১০ খান )( ১৮ +++ )

61
 কদিন এক মেয়ে স্কিনটাইট স্কার্ট পরে বের হয়েছে বন্ধুর বাসার উদ্দ্যেশে|
 গাড়ি নষ্ট থাকে সে গেল নিকটস্থ বাস স্টপেজে|
 যথারীতি বাস আসলো, সে বাসে উঠার চেষ্টা করলো, কিন্তু পারল না| স্কার্টটি খুব টাইট বলে বাসের সিড়িতে পা রাখতে সমস্যা হচ্ছিল|
 কি আর করা, বাসে তো উঠতে হবে, টাই সে একটু পিছিয়ে এসে স্কার্টের পিছনের চেইনটা একটু খুলে দিল| কিন্তু এবারও বাসের সিড়িতে পা রাখতে পারল না|
 সে আবার পিছনে এসে স্কার্টের পিছনের চেইনটা আরেকটু খুলে দিল| কিন্তু এবারও বাসের সিড়িতে পা রাখতে পারল না|
 এদিকে বাসের সব যাত্রী আর আশেপাশের লোকজন হা হয়ে মেয়েটির কান্ড-কারখানা দেখতে লাগলো|
 কিন্তু হতোদ্যম না হয়ে মেয়েটি আবারও একটু পিছিয়ে এসে স্কার্টের পিছনের চেইনটা একটু প্রায় অর্ধেক খুলে দিল| কিন্তু এবারও বাসের সিড়িতে পা রাখতে পারল না|
 এবার আর কোনো উপায় না দেখে লজ্জাশরমের মাথা খেয়ে পুরো চেইনটা খুলে স্কার্টটা দুহাতে আকড়ে ধরে বাসের সিড়িতে পা রাখার চেষ্টা করার সময় ঠিক তার পিছনে দাড়িয়ে থাকা দুষ্ট ছেলে দুহাতে তার কোমর ধরে সিড়িতে উঠতে সাহায্য করলো|
 কিন্তু একি! এত দেখি উপকারের বিপরীত শাস্তি| মেয়েটা পিছন ফিরে দুষ্ট ছেলেকে ঝাড়ি মেরে বলল, “আপনার সাহস কত বড়! অচেনা একটা মেয়ের গায়ে হাত দিছেন! পেয়েছেন কি? মেয়ে দেখলে খালি মাথা ঠিক থাকে না! আপনি কি আমার বন্ধু যে আমার গায়ে হাত দিছেন?”
দুষ্ট ছেলে তখন স্মার্টলি বলল,”দেখুন, আপনি আমাকে চিনেন না, আমিও আপনাকে চিনি না| কিন্তু যখন আপনি পিছন দিকে হাত দিয়ে আমার প্যান্টের চেইনটা অল্প অল্প করে পুরোটা খুলে ফেললেন, তাই আমি ভাবলাম আপনি বোধয় আমার বান্ধবী!” lollzzzz

 62
এক কুকুর আরেক কুকুরকে বলছেঃ
 কিরে দোস্ত সারাদিন সারারাত বিল গেটস এর বাড়ির সামনে কান পায়তা বইসা থাকস, ঘটনা কি???
দোস্ত আর বলিস না... বিল গেটস এর পোলা একটা অপদার্থ...সে যখন তার পোলারে কুত্তার বাচ্চা কইয়া গালি দেয়....কি যে শান্তি লাগে!!!! নিজেরে বিল গেটস মনে হয়...অছাম ফিলিংস....

 63
 এক লোকের বউয়ের নাম হাসি আর শ্যালিকার নাম খুশি।
 সেই লোক রাতের শিফটে কাজ করে।বহুদিন পর খুশি দুলাভাইয়ের বাসায় বেড়াতে এসেছে। হাসি আর খুশি ডিনার সেরে টিভি দেখতে দেখতে একই খাটে শুয়ে পড়লো।
 দুলাভাই ভোর চারটার দিকে বাড়ি ফিরলো। সে জানে শ্যালিকাটি বউয়ের পাশেই ঘুমোচ্ছে। বাসায় ফিরে রুমে ঢুকে কেয়ারফুলি কেয়ারলেস ভাব নিয়ে শ্যালিকার পাশে শুয়ে পড়লো। যেন সে ঘুমের ঘোরে এ কাজটি করছে, এমন কেয়ারলেস ভাবনিয়ে এক সময় শ্যালিকাকে জড়িয়ে ধরে আদর করতে থাকে। আদর পেয়ে শ্যালিকার ঘুম ভেঙ্গেযায়। সে চাপা স্বরে বলে, দুলাভাই আমি খুশি…আমি খুশি.
দুলাভাই এবার চেতন হবার ভাব ধরে ফিসফিস করে বলে, আমি তো ভাবছিলাম তুমি রাজিই হইবা না। চলো পাশের রুমে যাই।

 64
 চিন্টু আর চিন্টুর মা টিভি দেখছিল।
 এমন সময় হঠাৎ করে টিভিতে ব্রা এর অ্যাড দেখালো।
 চিন্টু তার মা কে সাথে সাথে জিজ্ঞাসা করলো মা ওগুলো কি?
 চিন্টুর মাঃ ওগুলো বেলুন।
 চিন্টুঃ কিন্তু এগুলো এত ছোটো আর বুয়ার এত বড় কেন?
 চিন্টুর মাঃ তুমি বুয়ার গুলো কিভাবে দেখলা?
চিন্টুঃ যখনই বাবা তার বেলুনে বাতাস ভরছিল তখনি দেখেছি !

 65
 বনে কাঠ কাটতে গিয়ে বোলতার কামড় খেয়ে বাড়ি ফিরল গেদু।
 বোলতা কামড় দিয়েছে তার পুরুষাঙ্গে ।
 জিনিষটা হয়েছে দেখার মত। ইয়া মোটা |
প্রচণ্ড যন্ত্রণা নিয়ে বাড়ি এসে বউকে দেখানোর পর বউ লতাপাতা বেটে লাগাতে লাগাতে
বলল, আল্লা ব্যথাটা কমিয়ে দাও, ফুলাটা কমাইওনা, যেভাবে আছে সেভাবে থাক।

 66
*একটা চাইনিজ জুটির (couple) কালো একটা ছেলে হইছে,
তো লোকটা মেয়েটা কে জিগ্গেস করতেছেঃ এটা কিভাবে সম্ভব্? আমাকে সত্য টা বলো।
মেয়েটা শান্ত ভাবে উত্তর দিলোঃ ডার্লিং GOD কে THANKS জানাও যে তোমার ছেলে সবুজ হয়নাই । কারন, তোমার অভাবে আমি মাঝে মাঝেই শশা ঢুকাইছি !!!

 67
১৯৭০ >ভালোবাসো আমাকে ,কিন্তু প্লিজ স্পর্শ করোনা
১৯৮০: স্পর্শ করো আমাকে,কিন্তু প্লিজ চুমু দিওনা
১৯৯০: চুমু দাও আমাকে ,কিন্তু প্লিজ অন্য কিছু করোনা
2000's : যা খুশী করো ,কিন্তু প্লিজ কাউকে বলতে যেওনা
Since 2011 : অবশ্যই সব কিছু করতে তুমি পারবে ,অন্যথায় আমি সবাইকে বলে দেবো তুমি কিছুই পারোনা

 68
প্রশ্নঃহাতে হাত রাখলে বন্ধুত্ত হয়, চোখে চোখ রাখলে প্রেম হয়, তাহলে ঠোঁটে ঠোঁট রাখলে কি হয়?
 উত্তরঃ দেহে আগুন লেগে যায় এবং দেহের একটি নির্দিষ্ট অঙ্গ বড় মোটা ও লম্বা হয়ে যায়।
 (বিশ্বাস না হলে নিজেই টেরাই করেন ... )

 69
আদর করবেন যেভাবেঃ
প্রথমে চুমু দিন।
এরপর জড়িয়ে ধরে বিছানায় শুইয়ে দিন।
জোর-জবরদস্তি করবেন না ভুলেও।
এরপর আস্তে আস্তে নিচে হাত ঢুকিয়ে চেক করুন ভেজা কিনা।
 ভেজা থাকলে তক্ষুনি আপনার বাচ্চার প্যান্ট চেঞ্জ করে দিন না হলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে।

 70
*ছেলেরা আর ইদুর একই রকমের্।
▼
▼
▼
▼
▼
▼
▼
কারণ তারা সব সময় গর্তের সন্ধানে থাকে।
▼
▼
▼
▼
▼
▼
▼
মেয়েরা আর বানর একই রকমের্।
▼
▼
▼
▼
▼
▼
▼
কারণ কলা তাদের ২ জন এর ই প্রিয়। তারা ওটার সন্ধানেই থাকে।